ঢাকা ০৮:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আমি নির্বাচিত হলে হিন্দু-মুসলিম সকল ধর্মের মানুষের জান-মালের নিরাপত্তা দেওয়া হবে : শাহ আকরাম আলী ধানের শীষের ভোট চুরি করতে না পারে রিজাল্ট না হওয়া পর্যন্ত পাহারা দিতে হবে :- শামা ওবায়েদ সালথা প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদকের হাড্ডি-গুড্ডি ভেঙে ফেলার হুমকি, অভিযোগ দায়ের ‎ফরিদপুরে ধানের শীষের মিছিল নিয়ে রিকশার প্রার্থীর গাড়ীর বহরে হামলা প্রচারণায় বাঁধা ও এজেন্টদের হুমকির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন ‎ রাজবাড়ীতে যৌথ বাহিনীর অভিযানে দেশীয় অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার সালথায় রিকশার ভোট চাওয়ায় মাদরাসার শিক্ষককে চাকরিচ্যুতের অভিযোগ আমরা ইসলাম ধারণ করি পালন করি বিক্রি করে খাই না : শামা ওবায়েদ ১১ ফেব্রুয়ারি থেকে ভোট পাহারা ১২ ফেব্রুয়ারি ফলাফল ছাড়া কেন্দ্র ছাড়বেন না :-শামা ওবায়েদ সালথায় নানা আয়োজনে চ্যানেল এস’র বর্ষপূর্তি উদযাপন ইসলামী জোট রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে জনগণের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত হবে : শাহ আকরাম আলী

রাজবাড়ীতে এক ইউপি চেয়ারম্যানকে অপসারণ ও গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন

একে আজাদ রাজবাড়ী:
রাজবাড়ী সদরের বানীবহ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেফালী আক্তারের অপসারণ ও তাকে গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন এই চেয়ারম্যানের প্রতিপক্ষ।
জানা যায়, শেফালী বেগমের স্বামী আব্দুল লতিফ মিয়া ছিলেন বানীবহ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান, তিনি ইতি পূর্ব দুর্বৃত্তদের হামলায় নিহত হন। তার স্বামীর মৃত্যুর পর শেফালী বেগম সরাসরি রাজনীতিতে আসেন এবং ২০২১ সালের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বানীবহ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসাবে নির্বাচিত হন।
 আজ রোববার (১৩ এপ্রিল) সকালে বানীবহ ইউনিয়ন পরিষদের সামনে এই মানববন্ধন করেন এই ইউনিয়নের বেশকিছু জনসাধারন ও রাজনৈতিক ব্যক্তি।  এসময় বক্তব্য রাখেন বানীবহ ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. খোরশেদ আলম, বানীবহ বাজারের ব্যবসায়ী খলিলুল রহমান খলিল, ইউনিয়ন ইমাম কমিটির সভাপতি দাউদ ব্যাপারী, যুবদল নেতা মো. মুন্সী, ছাত্র প্রতিনিধি মো. সুমন ইসলামসহ অনেকেই বক্তব্য দেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, শেফালী বেগমের স্বামী আব্দুল লতিফ মিয়া ছিলেন বানীবহ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি তার স্বামীর মৃত্যুর পর শেফালী বেগম সরাসরি রাজনীতিতে আসেন এবং ২০২১ সালের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিনা ভোটে বানীবহ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসাবে নির্বাচিত হন।
তারা অভিযোগ করে বলেন তিনি রাজবাড়ী-১ আসনের সাবেক এমপি কাজী কেরামত আলী ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী ইরাদত আলীর নির্দেশে বানীবহ ইউনিয়নের বিএনপির নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের ওপর অনেক জুলুম-অত্যাচার চালিয়েছেন। জন্মনিবন্ধন সনদ ও বিভিন্ন ভাতা কার্ড করতে তিনি দরিদ্র মানুষের কাছ থেকে টাকা নিয়েছেন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শেফালী বেগমের নেতৃত্বে সরাসরি নিরীহ ছাত্রদের ওপর হামলা চালানো হয়। এছাড়া এই ইউপি চেয়ারম্যান বানীবহ ইউনিয়ন পরিষদকে অনিয়ম-দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত করেছেন বলেও মানববন্ধনে অভিযোগ করা হয়। অবিলম্বে তাকে অপসারণ করে গ্রেফতারের দাবি জানান তারা।
তবে এবিষয় বানীবহ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শেফালী বেগম সাংবাদিকদের জানান আমার স্বামী হত্যার মামলার আসামীরা আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে তারা তাদের কিছু শুভাকাঙ্ক্ষী নিয়ে এই মানববন্ধন করেছেন। আমি মেয়ে মানুষ,  নিয়মিত অফিস করছি, জনগণের সঠিক সেবা দিচ্ছি। বানীবহ ইউনিয়নের জনগণের সাথে আমার ভালো সম্পর্ক। মানববন্ধনে তারা আমার বিরুদ্ধে যে কথা বলছে  তা সম্পূর্ণ মিথ্যা।
ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
আপডেট সময় ০৯:২০:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৫
১৪৬ বার পড়া হয়েছে

রাজবাড়ীতে এক ইউপি চেয়ারম্যানকে অপসারণ ও গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন

আপডেট সময় ০৯:২০:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৫
রাজবাড়ী সদরের বানীবহ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেফালী আক্তারের অপসারণ ও তাকে গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন এই চেয়ারম্যানের প্রতিপক্ষ।
জানা যায়, শেফালী বেগমের স্বামী আব্দুল লতিফ মিয়া ছিলেন বানীবহ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান, তিনি ইতি পূর্ব দুর্বৃত্তদের হামলায় নিহত হন। তার স্বামীর মৃত্যুর পর শেফালী বেগম সরাসরি রাজনীতিতে আসেন এবং ২০২১ সালের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বানীবহ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসাবে নির্বাচিত হন।
 আজ রোববার (১৩ এপ্রিল) সকালে বানীবহ ইউনিয়ন পরিষদের সামনে এই মানববন্ধন করেন এই ইউনিয়নের বেশকিছু জনসাধারন ও রাজনৈতিক ব্যক্তি।  এসময় বক্তব্য রাখেন বানীবহ ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. খোরশেদ আলম, বানীবহ বাজারের ব্যবসায়ী খলিলুল রহমান খলিল, ইউনিয়ন ইমাম কমিটির সভাপতি দাউদ ব্যাপারী, যুবদল নেতা মো. মুন্সী, ছাত্র প্রতিনিধি মো. সুমন ইসলামসহ অনেকেই বক্তব্য দেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, শেফালী বেগমের স্বামী আব্দুল লতিফ মিয়া ছিলেন বানীবহ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি তার স্বামীর মৃত্যুর পর শেফালী বেগম সরাসরি রাজনীতিতে আসেন এবং ২০২১ সালের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিনা ভোটে বানীবহ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসাবে নির্বাচিত হন।
তারা অভিযোগ করে বলেন তিনি রাজবাড়ী-১ আসনের সাবেক এমপি কাজী কেরামত আলী ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী ইরাদত আলীর নির্দেশে বানীবহ ইউনিয়নের বিএনপির নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের ওপর অনেক জুলুম-অত্যাচার চালিয়েছেন। জন্মনিবন্ধন সনদ ও বিভিন্ন ভাতা কার্ড করতে তিনি দরিদ্র মানুষের কাছ থেকে টাকা নিয়েছেন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শেফালী বেগমের নেতৃত্বে সরাসরি নিরীহ ছাত্রদের ওপর হামলা চালানো হয়। এছাড়া এই ইউপি চেয়ারম্যান বানীবহ ইউনিয়ন পরিষদকে অনিয়ম-দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত করেছেন বলেও মানববন্ধনে অভিযোগ করা হয়। অবিলম্বে তাকে অপসারণ করে গ্রেফতারের দাবি জানান তারা।
তবে এবিষয় বানীবহ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শেফালী বেগম সাংবাদিকদের জানান আমার স্বামী হত্যার মামলার আসামীরা আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে তারা তাদের কিছু শুভাকাঙ্ক্ষী নিয়ে এই মানববন্ধন করেছেন। আমি মেয়ে মানুষ,  নিয়মিত অফিস করছি, জনগণের সঠিক সেবা দিচ্ছি। বানীবহ ইউনিয়নের জনগণের সাথে আমার ভালো সম্পর্ক। মানববন্ধনে তারা আমার বিরুদ্ধে যে কথা বলছে  তা সম্পূর্ণ মিথ্যা।