ঢাকা ১০:০৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ফরিদপুরে প্লাস্টিক বর্জন ও পাট পণ্যের বহুমুখী ব্যবহারের দাবিতে মানববন্ধন শ্রেষ্ঠ ওসি সালথার বাবলুর রহমান খান ফরিদপুরে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যার দায়ে স্বামীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ফরিদপুরে সড়ক নির্মাণ কাজে অনিয়মের অভিযোগ তুলে দুইলাখ টাকা চাঁদা দাবি বাংলাদেশ-কাজাখস্তান কমিউনিটির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক লিয়াকত হোসেন সাগর ফরিদপুরে তিনটি আসনে বিএনপির জয়-একটিতে জামায়াতের জয় নির্বাচনে সহিংসতা হলে দেখতে পারবেন কি ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হয়: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আমি নির্বাচিত হলে হিন্দু-মুসলিম সকল ধর্মের মানুষের জান-মালের নিরাপত্তা দেওয়া হবে : শাহ আকরাম আলী ধানের শীষের ভোট চুরি করতে না পারে রিজাল্ট না হওয়া পর্যন্ত পাহারা দিতে হবে :- শামা ওবায়েদ সালথা প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদকের হাড্ডি-গুড্ডি ভেঙে ফেলার হুমকি, অভিযোগ দায়ের

সালথায় আওয়ামীলীগ বিএনপি সংঘর্ষে অসুস্থ্য ইউপি চেয়ারম্যানসহ ৭০ জনের নামে মামলা

সালথা প্রতিনিধিঃ

ছবিঃ ফটো ফাইল

ফরিদপুর সালথা উপজেলায় গত ২এপ্রিল আওয়ামীলীগ বিএনপির সংঘর্ষের ঘটনায় অসুস্থ্য মাঝারদিয়া ইউপি চেয়ারম্যানসহ ৭০ জনের নামে মামলা হয়েছে।মাঝারদিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি হারুন মিয়ার ছেলে মিন্টু মিয়া বাদী হয়ে এই মামলা করেন।

সেদিনের আওয়ামীলীগ বিএনপির সংঘর্ষের ঘটনায় অন্তত ১০ জন আহত এবং বাড়িঘর ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।এই ঘটনা কে কেন্দ্র করে অসুস্থ্য ইউপি চেয়ারম্যান আফসার মাতুববরকে প্রধান আসামী করে ৭০ জনের নামে মামলা করা হয়েছে।

ঘটনা প্রকাশে জানা যায়, গত ২ এপ্রিল বৃহস্পতিবার বিকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত উপজেলার মাঝারদিয়া ইউনিয়নের মুরুটিয়া গ্রামে দফায় দফায় এ সংঘর্ষ হয়। স্থানীয়রা জানান, এতে এক পক্ষের নেতৃত্ব দেন মাঝারদিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সহসভাপতি হারুন মিয়ার ছেলে মিন্টু মিয়া এবং অপরপক্ষের নেতৃত্ব দেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান আফছার মাতুব্বরের সমর্থক বেলায়েত মোল্যা। তবে ঘটনার দিন দুপুর থেকেই অসুস্থ্য ইউপি চেয়ারম্যান আফসার মাতুববর ফরিদপুর শহরে একটি ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন অবস্থান করেন বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানায়। এর আগে আফসার মাতুববর ফরিদপুর ডায়াবেটিকস হাসপাতালে ও ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসার নেন এবং তিনি দীর্ঘদিন জটিল রোগে ভূগছেন।

জানা যায়, আগে থেকেই দুপক্ষের মধ্যে বিরোধ ছিল। ঘটনার দিন গত ২ এপ্রিল বৃহস্পতিবার মাঝারদিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সহ- সভাপতি হারুন মিয়ার ছেলে মিন্টু মিয়া, টিটুল মেম্বার, তুহিন মিয়া, আকরাম শেক সহ ১৫-২০ জন সকাল ১০ টার দিকে স্থানীরা আজিজুলের বাড়ির ওপর এসে বলে ভালোই তো আছিস, অনেক পিয়াজ পাইছিস। আমাদের ৩ লাখ টাকা দিবি তা না হলে তোদের এলাকা থেকে বিতাড়িত করে দিবো। ঐ টাকা না দেওয়ায় তারা আজিজুলকে রানদা দিয়ে মাথা লক্ষ করিয়া কোপ মারে উক্ত কোপ ডান চোখের নিচে লেগে হাড় কাটা রক্তাক্ত জখম হয়।এর পর স্থানীরা আজিজুলকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়। তবে বিএনপি নেতা মিন্টু মিয়া চাঁদার অভিযোগ অস্বীকার করে।

এর সূত্র ধরে ফের বিকালে দুই গ্রুপে সংঘর্ষে জড়িয়ে পরে। এ সময় উভয় পক্ষের বাড়িঘর ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এ ছাড়া আওয়ামী লীগ সমর্থক কৃষক কবির শেখের খড়ের গাদায় আগুন দেওয়া হয়। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।

এবিষয় সালথা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আতাউর রহমান জানান মাঝারদিয়ার সংঘর্ষের ঘটনায় মামলা হয়েছে এবং একজন আসামী গ্রেপ্তার হয়েছে, এলাকার পরিস্থতি শান্ত আছে।

 

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
আপডেট সময় ০৩:০৫:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ এপ্রিল ২০২৫
২৬৩ বার পড়া হয়েছে

সালথায় আওয়ামীলীগ বিএনপি সংঘর্ষে অসুস্থ্য ইউপি চেয়ারম্যানসহ ৭০ জনের নামে মামলা

আপডেট সময় ০৩:০৫:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ এপ্রিল ২০২৫

ছবিঃ ফটো ফাইল

ফরিদপুর সালথা উপজেলায় গত ২এপ্রিল আওয়ামীলীগ বিএনপির সংঘর্ষের ঘটনায় অসুস্থ্য মাঝারদিয়া ইউপি চেয়ারম্যানসহ ৭০ জনের নামে মামলা হয়েছে।মাঝারদিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি হারুন মিয়ার ছেলে মিন্টু মিয়া বাদী হয়ে এই মামলা করেন।

সেদিনের আওয়ামীলীগ বিএনপির সংঘর্ষের ঘটনায় অন্তত ১০ জন আহত এবং বাড়িঘর ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।এই ঘটনা কে কেন্দ্র করে অসুস্থ্য ইউপি চেয়ারম্যান আফসার মাতুববরকে প্রধান আসামী করে ৭০ জনের নামে মামলা করা হয়েছে।

ঘটনা প্রকাশে জানা যায়, গত ২ এপ্রিল বৃহস্পতিবার বিকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত উপজেলার মাঝারদিয়া ইউনিয়নের মুরুটিয়া গ্রামে দফায় দফায় এ সংঘর্ষ হয়। স্থানীয়রা জানান, এতে এক পক্ষের নেতৃত্ব দেন মাঝারদিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সহসভাপতি হারুন মিয়ার ছেলে মিন্টু মিয়া এবং অপরপক্ষের নেতৃত্ব দেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান আফছার মাতুব্বরের সমর্থক বেলায়েত মোল্যা। তবে ঘটনার দিন দুপুর থেকেই অসুস্থ্য ইউপি চেয়ারম্যান আফসার মাতুববর ফরিদপুর শহরে একটি ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন অবস্থান করেন বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানায়। এর আগে আফসার মাতুববর ফরিদপুর ডায়াবেটিকস হাসপাতালে ও ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসার নেন এবং তিনি দীর্ঘদিন জটিল রোগে ভূগছেন।

জানা যায়, আগে থেকেই দুপক্ষের মধ্যে বিরোধ ছিল। ঘটনার দিন গত ২ এপ্রিল বৃহস্পতিবার মাঝারদিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সহ- সভাপতি হারুন মিয়ার ছেলে মিন্টু মিয়া, টিটুল মেম্বার, তুহিন মিয়া, আকরাম শেক সহ ১৫-২০ জন সকাল ১০ টার দিকে স্থানীরা আজিজুলের বাড়ির ওপর এসে বলে ভালোই তো আছিস, অনেক পিয়াজ পাইছিস। আমাদের ৩ লাখ টাকা দিবি তা না হলে তোদের এলাকা থেকে বিতাড়িত করে দিবো। ঐ টাকা না দেওয়ায় তারা আজিজুলকে রানদা দিয়ে মাথা লক্ষ করিয়া কোপ মারে উক্ত কোপ ডান চোখের নিচে লেগে হাড় কাটা রক্তাক্ত জখম হয়।এর পর স্থানীরা আজিজুলকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়। তবে বিএনপি নেতা মিন্টু মিয়া চাঁদার অভিযোগ অস্বীকার করে।

এর সূত্র ধরে ফের বিকালে দুই গ্রুপে সংঘর্ষে জড়িয়ে পরে। এ সময় উভয় পক্ষের বাড়িঘর ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এ ছাড়া আওয়ামী লীগ সমর্থক কৃষক কবির শেখের খড়ের গাদায় আগুন দেওয়া হয়। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।

এবিষয় সালথা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আতাউর রহমান জানান মাঝারদিয়ার সংঘর্ষের ঘটনায় মামলা হয়েছে এবং একজন আসামী গ্রেপ্তার হয়েছে, এলাকার পরিস্থতি শান্ত আছে।