ঢাকা ০৮:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ফরিদপুরে সড়ক নির্মাণ কাজে অনিয়মের অভিযোগ তুলে দুইলাখ টাকা চাঁদা দাবি বাংলাদেশ-কাজাখস্তান কমিউনিটির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক লিয়াকত হোসেন সাগর ফরিদপুরে তিনটি আসনে বিএনপির জয়-একটিতে জামায়াতের জয় নির্বাচনে সহিংসতা হলে দেখতে পারবেন কি ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হয়: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আমি নির্বাচিত হলে হিন্দু-মুসলিম সকল ধর্মের মানুষের জান-মালের নিরাপত্তা দেওয়া হবে : শাহ আকরাম আলী ধানের শীষের ভোট চুরি করতে না পারে রিজাল্ট না হওয়া পর্যন্ত পাহারা দিতে হবে :- শামা ওবায়েদ সালথা প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদকের হাড্ডি-গুড্ডি ভেঙে ফেলার হুমকি, অভিযোগ দায়ের ‎ফরিদপুরে ধানের শীষের মিছিল নিয়ে রিকশার প্রার্থীর গাড়ীর বহরে হামলা প্রচারণায় বাঁধা ও এজেন্টদের হুমকির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন ‎ রাজবাড়ীতে যৌথ বাহিনীর অভিযানে দেশীয় অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার সালথায় রিকশার ভোট চাওয়ায় মাদরাসার শিক্ষককে চাকরিচ্যুতের অভিযোগ

ফমেক হাসপাতালে কর্মবিরতিতে টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টরা, ভোগান্তিতে রোগীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক

১০ম গ্রেড বাস্তবায়নের দাবিতে দুইঘন্টা কর্মবিরতি পালন করেছেন ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ (ফমেক) হাসপাতালে কর্মরত মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টরা। তাঁদের এই কর্মবিরতির সময়ে অসহনীয় ভোগান্তি পোহাতে দেখা যায় বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা আসা রোগীদের, ফার্মেসী বিভাগে দীর্ঘ সময় লম্বা লাইনে দাড়িয়ে থাকেন অনেকে।

আজ রোববার সকাল ৯ টা থেকে বেলা ১১ টা পর্যন্ত হাসপাতালের নতুন ভবনের সামনে দাড়িয়ে এই কর্মসূচি পালন করেন। একই সময়ে ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালেও কর্মবিরতি পালন করা হয়। তাঁদের দাবি পূরণ না হলে আগামী ৩ ডিসেম্বর অর্ধদিবস ও ৪ ডিসেম্বর কমপ্লিট শাটডাউন (পূর্ণ কর্মবিরতি) কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছেন।

এ সময় বক্তারা বলেন,  দীর্ঘদিন যাবৎ বৈষম্যর শিকার হয়ে আসছেন। তাঁদের সমমনা কৃষি, প্রকৌশলী ও নার্স ডিপ্লোমাধারীদের ১১ তম গ্রেড থেকে ১০ম গ্রেড করা হলেও আজও বৈষম্যের শিকার তাঁরা। নিজেদের মর্যাদা রক্ষার দাবিতে বাধ্য হয়ে রোগীদের সেবা বন্ধ রেখে কর্মবিরতির ডাক দেয়া হয়েছে।

এ সময় মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ব্লাড ব্যাংকের মেডিকেল টেকনোলজিস্ট শেখ রুহুল আমিন বলেন- “আমরা অনেকবার আন্দোলন করেছি, অনেকবার আশ্বাস দেয়া হয়েছে। আমাদের ফাইল অদৃশ্য কারণে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে আটকা পড়ে আছে। এরমধ্যে সরকারকে আমরা ৯৬ ঘন্টার আল্টিমেটাম দিয়েছিলাম, আমাদের কথা রাখেননি। আমাদের মর্যাদা লড়াইয়ের জন্য সারাদেশের মেডিকেল টেকনোলজিস্টরা আজ সোচ্চার। আমাদের দাবি মেনে না নেয়া হলে ৪ ডিসেম্বর কমপ্লিট শাটডাউনে চলে যাব। এ সময়ে রোগীদের ভেগান্তি হলে সেই দায়ভার সরকারকে নিতে হবে।”

এদিকে তাঁদের এই কর্মসূচি চলাকালে হাসপাতালে প্যাথলোজি, ব্লাড ব্যাংক, রেডিজলেজি সহ বিভিন্ন বিভাগে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করাতে আসা রোগীদের ভোগান্তি পোহাতে দেখা গেছে। রাজবাড়ীর পাংশা থেকে হাসপাতালের অর্থোপেডিক্স বিভাগে চিকিৎসাধীন এক রোগীর স্বজন মো. কুতুবউদ্দিন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন- “সকালে চিকিৎসক দেখে ভাঙ্গা হাতের এক্সরে করতে দিয়েছে, ৯ টার দিকে এসে দেখি এখানে কেউ নেই, শুনেছি তাঁরা কর্মবিরতিতে গিয়েছে। সকাল থেকেই বসে আছি, কেউ কোনো কাজ করছে না।”

অপরদিকে ফার্মেসী বিভাগে গিয়েও দীর্ঘ লাইন দেখা যায়। এ সময় ওষধ নিতে আসা রোগীর স্বজনরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

 

 

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
আপডেট সময় ০৫:০৪:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫
১৩২ বার পড়া হয়েছে

ফমেক হাসপাতালে কর্মবিরতিতে টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টরা, ভোগান্তিতে রোগীরা

আপডেট সময় ০৫:০৪:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫

১০ম গ্রেড বাস্তবায়নের দাবিতে দুইঘন্টা কর্মবিরতি পালন করেছেন ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ (ফমেক) হাসপাতালে কর্মরত মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টরা। তাঁদের এই কর্মবিরতির সময়ে অসহনীয় ভোগান্তি পোহাতে দেখা যায় বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা আসা রোগীদের, ফার্মেসী বিভাগে দীর্ঘ সময় লম্বা লাইনে দাড়িয়ে থাকেন অনেকে।

আজ রোববার সকাল ৯ টা থেকে বেলা ১১ টা পর্যন্ত হাসপাতালের নতুন ভবনের সামনে দাড়িয়ে এই কর্মসূচি পালন করেন। একই সময়ে ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালেও কর্মবিরতি পালন করা হয়। তাঁদের দাবি পূরণ না হলে আগামী ৩ ডিসেম্বর অর্ধদিবস ও ৪ ডিসেম্বর কমপ্লিট শাটডাউন (পূর্ণ কর্মবিরতি) কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছেন।

এ সময় বক্তারা বলেন,  দীর্ঘদিন যাবৎ বৈষম্যর শিকার হয়ে আসছেন। তাঁদের সমমনা কৃষি, প্রকৌশলী ও নার্স ডিপ্লোমাধারীদের ১১ তম গ্রেড থেকে ১০ম গ্রেড করা হলেও আজও বৈষম্যের শিকার তাঁরা। নিজেদের মর্যাদা রক্ষার দাবিতে বাধ্য হয়ে রোগীদের সেবা বন্ধ রেখে কর্মবিরতির ডাক দেয়া হয়েছে।

এ সময় মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ব্লাড ব্যাংকের মেডিকেল টেকনোলজিস্ট শেখ রুহুল আমিন বলেন- “আমরা অনেকবার আন্দোলন করেছি, অনেকবার আশ্বাস দেয়া হয়েছে। আমাদের ফাইল অদৃশ্য কারণে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে আটকা পড়ে আছে। এরমধ্যে সরকারকে আমরা ৯৬ ঘন্টার আল্টিমেটাম দিয়েছিলাম, আমাদের কথা রাখেননি। আমাদের মর্যাদা লড়াইয়ের জন্য সারাদেশের মেডিকেল টেকনোলজিস্টরা আজ সোচ্চার। আমাদের দাবি মেনে না নেয়া হলে ৪ ডিসেম্বর কমপ্লিট শাটডাউনে চলে যাব। এ সময়ে রোগীদের ভেগান্তি হলে সেই দায়ভার সরকারকে নিতে হবে।”

এদিকে তাঁদের এই কর্মসূচি চলাকালে হাসপাতালে প্যাথলোজি, ব্লাড ব্যাংক, রেডিজলেজি সহ বিভিন্ন বিভাগে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করাতে আসা রোগীদের ভোগান্তি পোহাতে দেখা গেছে। রাজবাড়ীর পাংশা থেকে হাসপাতালের অর্থোপেডিক্স বিভাগে চিকিৎসাধীন এক রোগীর স্বজন মো. কুতুবউদ্দিন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন- “সকালে চিকিৎসক দেখে ভাঙ্গা হাতের এক্সরে করতে দিয়েছে, ৯ টার দিকে এসে দেখি এখানে কেউ নেই, শুনেছি তাঁরা কর্মবিরতিতে গিয়েছে। সকাল থেকেই বসে আছি, কেউ কোনো কাজ করছে না।”

অপরদিকে ফার্মেসী বিভাগে গিয়েও দীর্ঘ লাইন দেখা যায়। এ সময় ওষধ নিতে আসা রোগীর স্বজনরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন।