ঢাকা ০৪:৪৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ফরিদপুরে প্লাস্টিক বর্জন ও পাট পণ্যের বহুমুখী ব্যবহারের দাবিতে মানববন্ধন শ্রেষ্ঠ ওসি সালথার বাবলুর রহমান খান ফরিদপুরে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যার দায়ে স্বামীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ফরিদপুরে সড়ক নির্মাণ কাজে অনিয়মের অভিযোগ তুলে দুইলাখ টাকা চাঁদা দাবি বাংলাদেশ-কাজাখস্তান কমিউনিটির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক লিয়াকত হোসেন সাগর ফরিদপুরে তিনটি আসনে বিএনপির জয়-একটিতে জামায়াতের জয় নির্বাচনে সহিংসতা হলে দেখতে পারবেন কি ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হয়: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আমি নির্বাচিত হলে হিন্দু-মুসলিম সকল ধর্মের মানুষের জান-মালের নিরাপত্তা দেওয়া হবে : শাহ আকরাম আলী ধানের শীষের ভোট চুরি করতে না পারে রিজাল্ট না হওয়া পর্যন্ত পাহারা দিতে হবে :- শামা ওবায়েদ সালথা প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদকের হাড্ডি-গুড্ডি ভেঙে ফেলার হুমকি, অভিযোগ দায়ের

ফরিদপুরে-৪ আসনের নিজেকে জোটের একক প্রার্থী দাবি বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস প্রার্থীর

শ্রাবণ হাসান

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুর-৪ (ভাঙ্গা, সদরপুর ও চরভদ্রাসন) আসনে জোটের একক প্রার্থী দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মাওলানা মো. মিজানুর রহমান। তাঁর দাবি, ১১ দলীয় জোট থেকে বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলন সরে যাওয়ায় জোটের একমাত্র প্রার্থী তিনিই আছেন। যদিও আসনটিতে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত বৈধ প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন মাওলানা মো. সরোয়ার হোসেন।

তবে জোটের সাথে জামায়াত ইসলামীর ১৭৯ আসন বন্টণে ফরিদপুর-৪ আসন থেকে কোনো প্রার্থী রাখা হয়নি বলে সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেন মাওলানা মিজানুর রহমান। আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় ভাঙ্গা উপজেলার পুলিয়া গ্রামে নিজ বাসভবনে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন।

সংবাদ সম্মেলনে মাওলানা মো. মিজানুর রহমান বলেন- “এই আসনে ১১ দলের জোটের আসন বন্টণের সময় আমিসহ জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলনের হেভিওয়েট প্রার্থী থাকায় উন্মুক্ত রাখা হয়েছিল। কিন্তু জোট থেকে ইসলামী আন্দোলন সরে গিয়েছে। এছাড়া জামায়াতে ইসলাম যে ১৭৯টি আসন বন্টণ করেছে সেই তালিকায় এখানকার জামায়াতের প্রার্থীর নাম নেই এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের ২০টি আসনের মধ্যে ১৯ নম্বরে আমার নাম রয়েছে।

তিনি বলেন, জামায়াতের যে প্রার্থী রয়েছে আশা করি তিনি প্রার্থীতা প্রত্যাহার করে জোটের পক্ষে কাজ করবেন। আমরা একত্রিতভাবে কাজ করে ইনশাআল্লাহ বিজয়ী হবো।”

সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করে বলেন- “কিছু কিছু বিষয় আমার নজর কেড়েছে এবং তা আপত্তিকর। আসনটির বিএনপির যে প্রার্থী রয়েছেন- উনারা অনেক জায়গায় মানুষের ওপর চাপ সৃষ্টি করছেন। যদি তাঁরা এগুলো থেকে সরে না আসে তাহলে পরবর্তীতে অভিযোগ করে জানানো হবে।” এছাড়া স্থানীয় প্রশাসনে দলীয়করণের ইঙ্গিত দিয়ে তিনি বলেন- এসব বিষয় নিয়ে ইতোমধ্যে প্রশাসনের উধ্বর্তনদের জানানো হয়েছে। আমার দাবি তাঁরা যেন নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করবেন।

জানা গেছে, ইতিমধ্যে ফরিদপুর-৪ আসন থেকে যাচাই-বাছাই ও আপিলের মাধ্যমে ৮ জন প্রার্থীকে চূড়ান্ত করা হয়েছে। এরমধ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে মনোনয়ন দাখিল করেছিলেন মাওলানা মো. সরোয়ার হোসেন এবং যাচাই-বাছাইয়ে তাঁর প্রার্থীতা বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জামায়াতে ইসলামীর জেলা শাখার আমির মাওলানা বদরুদ্দীন আজকের পত্রিকাকে বলেন- আসনটি উন্মুক্ত রাখা হয়েছিল। যেহেতু ইসলামী আন্দোলন সরে গিয়েছে সেক্ষেত্রে কি সিদ্ধান্ত নেয়া হবে সেটা জোটের বিষয় এবং এ বিষয়ে দ্রুতই সমাধান করা হবে। তবে জোট থেকে এখনও একক প্রার্থী ঘোষণা করা হয়নি৷

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
আপডেট সময় ১১:০৬:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬
১৪৮ বার পড়া হয়েছে

ফরিদপুরে-৪ আসনের নিজেকে জোটের একক প্রার্থী দাবি বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস প্রার্থীর

আপডেট সময় ১১:০৬:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুর-৪ (ভাঙ্গা, সদরপুর ও চরভদ্রাসন) আসনে জোটের একক প্রার্থী দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মাওলানা মো. মিজানুর রহমান। তাঁর দাবি, ১১ দলীয় জোট থেকে বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলন সরে যাওয়ায় জোটের একমাত্র প্রার্থী তিনিই আছেন। যদিও আসনটিতে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত বৈধ প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন মাওলানা মো. সরোয়ার হোসেন।

তবে জোটের সাথে জামায়াত ইসলামীর ১৭৯ আসন বন্টণে ফরিদপুর-৪ আসন থেকে কোনো প্রার্থী রাখা হয়নি বলে সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেন মাওলানা মিজানুর রহমান। আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় ভাঙ্গা উপজেলার পুলিয়া গ্রামে নিজ বাসভবনে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন।

সংবাদ সম্মেলনে মাওলানা মো. মিজানুর রহমান বলেন- “এই আসনে ১১ দলের জোটের আসন বন্টণের সময় আমিসহ জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলনের হেভিওয়েট প্রার্থী থাকায় উন্মুক্ত রাখা হয়েছিল। কিন্তু জোট থেকে ইসলামী আন্দোলন সরে গিয়েছে। এছাড়া জামায়াতে ইসলাম যে ১৭৯টি আসন বন্টণ করেছে সেই তালিকায় এখানকার জামায়াতের প্রার্থীর নাম নেই এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের ২০টি আসনের মধ্যে ১৯ নম্বরে আমার নাম রয়েছে।

তিনি বলেন, জামায়াতের যে প্রার্থী রয়েছে আশা করি তিনি প্রার্থীতা প্রত্যাহার করে জোটের পক্ষে কাজ করবেন। আমরা একত্রিতভাবে কাজ করে ইনশাআল্লাহ বিজয়ী হবো।”

সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করে বলেন- “কিছু কিছু বিষয় আমার নজর কেড়েছে এবং তা আপত্তিকর। আসনটির বিএনপির যে প্রার্থী রয়েছেন- উনারা অনেক জায়গায় মানুষের ওপর চাপ সৃষ্টি করছেন। যদি তাঁরা এগুলো থেকে সরে না আসে তাহলে পরবর্তীতে অভিযোগ করে জানানো হবে।” এছাড়া স্থানীয় প্রশাসনে দলীয়করণের ইঙ্গিত দিয়ে তিনি বলেন- এসব বিষয় নিয়ে ইতোমধ্যে প্রশাসনের উধ্বর্তনদের জানানো হয়েছে। আমার দাবি তাঁরা যেন নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করবেন।

জানা গেছে, ইতিমধ্যে ফরিদপুর-৪ আসন থেকে যাচাই-বাছাই ও আপিলের মাধ্যমে ৮ জন প্রার্থীকে চূড়ান্ত করা হয়েছে। এরমধ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে মনোনয়ন দাখিল করেছিলেন মাওলানা মো. সরোয়ার হোসেন এবং যাচাই-বাছাইয়ে তাঁর প্রার্থীতা বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জামায়াতে ইসলামীর জেলা শাখার আমির মাওলানা বদরুদ্দীন আজকের পত্রিকাকে বলেন- আসনটি উন্মুক্ত রাখা হয়েছিল। যেহেতু ইসলামী আন্দোলন সরে গিয়েছে সেক্ষেত্রে কি সিদ্ধান্ত নেয়া হবে সেটা জোটের বিষয় এবং এ বিষয়ে দ্রুতই সমাধান করা হবে। তবে জোট থেকে এখনও একক প্রার্থী ঘোষণা করা হয়নি৷