ঢাকা ০৯:১৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ফরিদপুরে প্লাস্টিক বর্জন ও পাট পণ্যের বহুমুখী ব্যবহারের দাবিতে মানববন্ধন শ্রেষ্ঠ ওসি সালথার বাবলুর রহমান খান ফরিদপুরে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যার দায়ে স্বামীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ফরিদপুরে সড়ক নির্মাণ কাজে অনিয়মের অভিযোগ তুলে দুইলাখ টাকা চাঁদা দাবি বাংলাদেশ-কাজাখস্তান কমিউনিটির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক লিয়াকত হোসেন সাগর ফরিদপুরে তিনটি আসনে বিএনপির জয়-একটিতে জামায়াতের জয় নির্বাচনে সহিংসতা হলে দেখতে পারবেন কি ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হয়: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আমি নির্বাচিত হলে হিন্দু-মুসলিম সকল ধর্মের মানুষের জান-মালের নিরাপত্তা দেওয়া হবে : শাহ আকরাম আলী ধানের শীষের ভোট চুরি করতে না পারে রিজাল্ট না হওয়া পর্যন্ত পাহারা দিতে হবে :- শামা ওবায়েদ সালথা প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদকের হাড্ডি-গুড্ডি ভেঙে ফেলার হুমকি, অভিযোগ দায়ের

বাজার ধরতে অপরিপক্ব রসুন তুলছেন রাজবাড়ীর কৃষকেরা

স্টাফ রিপোর্টার একে আজাদ রাজবাড়ী্ঃ

রাজবাড়ীতে অপরিপক্ক রসুন তুলে বিক্রি করছেন কৃষকেরা। বাড়তি লাভের আশা ও বাজার ধরতে একাজ করছেন তারা। এতে উৎপাদন কম হওয়ার শঙ্কা করছে কৃষি বিভাগ। তাঁরা কৃষকদের অপরিপক্ব রসুন তুলতে নিরুৎসাহিত করছেন।সরেজমিনে গোয়ালন্দ উপজেলার চর কর্ণেশন এলাকায় দেখা যায়, মাঠের পর মাঠ রসুন খেত। রসুনের গাছের রং এখনো সবুজ। পরিপক্ব হতে এখনো এক মাস বাকি থাকলেও মাঠ থেকে রসুন তোলার ধুম পড়েছে। বাজারে প্রতি মণ রসুন চার থেকে সাড়ে চার হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পরে রসুন তুললে মণপ্রতি দাম কিছুটা কমে যেতে পারে, সেই ধারণা থেকে কৃষকেরা এখনই অপরিপক্ব অবস্থায় তুলে ফেলছেন। এতে বাজারে দাম বেশি পেলেও তাঁরা আশানুরূপ ফলন পাচ্ছেন না।সোবহান নামের এক কৃষক বলেন, ‘এখন রসুন তোলা হচ্ছে বাজারে দাম বেশি বলে। আমরা বাজারে একটু বেশি দাম দেখলে তাড়াতাড়ি সেই ফসল তুলে বিক্রি করে দিই। দাম একটু বেশি পেলেও ফলন কম হচ্ছে। এক মাস পর রসুন তুললে ফলন বেশি হবে। এখন এক মণ পেলে, তখন দুই মণ হবে ।করিম মোল্লা নামের আরেক কৃষক বলেন, ‘এ বছর বেশি দামে রসুন বীজ কিনতে হয়েছে। সার-কীটনাশক ও শ্রমিকের মজুরি বেশি পড়েছে। ফলে গত বছরের তুলনায় এবার আবাদের খরচ অনেক বেশি পড়েছে। বিঘাপ্রতি খরচ পড়েছে ৮০ থেকে ১ লাখ টাকা। আর প্রতি বিঘায় রসুন উৎপাদন হচ্ছে ২০ থেকে ২৫ মণ। গত বছর বিঘাপ্রতি উৎপাদন হয়েছিল ৩০ থেকে ৩৫ মণ করে। কৃষক রমজান আলী বলেন, ‘এক বিঘা জমিতে বীজ, সার, শ্রমিক দিয়ে প্রায় ১ লাখ টাকা খরচ হয়েছে। বর্তমানে যে রসুন পাচ্ছি, তাতে লোকসানে পড়তে হবে। এবার ফলন কম রসুনের বর্তমান দাম কমে গেলে লোকসান হবে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এ বছর রাজবাড়ীতে ৩ হাজার ৫৮০ হেক্টর জমিতে রসুন আবাদ হয়েছে। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২৪ হাজার ৮১৮ টন।

 

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
আপডেট সময় ০৭:৪৭:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ মার্চ ২০২৫
১৪৮ বার পড়া হয়েছে

বাজার ধরতে অপরিপক্ব রসুন তুলছেন রাজবাড়ীর কৃষকেরা

আপডেট সময় ০৭:৪৭:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ মার্চ ২০২৫

রাজবাড়ীতে অপরিপক্ক রসুন তুলে বিক্রি করছেন কৃষকেরা। বাড়তি লাভের আশা ও বাজার ধরতে একাজ করছেন তারা। এতে উৎপাদন কম হওয়ার শঙ্কা করছে কৃষি বিভাগ। তাঁরা কৃষকদের অপরিপক্ব রসুন তুলতে নিরুৎসাহিত করছেন।সরেজমিনে গোয়ালন্দ উপজেলার চর কর্ণেশন এলাকায় দেখা যায়, মাঠের পর মাঠ রসুন খেত। রসুনের গাছের রং এখনো সবুজ। পরিপক্ব হতে এখনো এক মাস বাকি থাকলেও মাঠ থেকে রসুন তোলার ধুম পড়েছে। বাজারে প্রতি মণ রসুন চার থেকে সাড়ে চার হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পরে রসুন তুললে মণপ্রতি দাম কিছুটা কমে যেতে পারে, সেই ধারণা থেকে কৃষকেরা এখনই অপরিপক্ব অবস্থায় তুলে ফেলছেন। এতে বাজারে দাম বেশি পেলেও তাঁরা আশানুরূপ ফলন পাচ্ছেন না।সোবহান নামের এক কৃষক বলেন, ‘এখন রসুন তোলা হচ্ছে বাজারে দাম বেশি বলে। আমরা বাজারে একটু বেশি দাম দেখলে তাড়াতাড়ি সেই ফসল তুলে বিক্রি করে দিই। দাম একটু বেশি পেলেও ফলন কম হচ্ছে। এক মাস পর রসুন তুললে ফলন বেশি হবে। এখন এক মণ পেলে, তখন দুই মণ হবে ।করিম মোল্লা নামের আরেক কৃষক বলেন, ‘এ বছর বেশি দামে রসুন বীজ কিনতে হয়েছে। সার-কীটনাশক ও শ্রমিকের মজুরি বেশি পড়েছে। ফলে গত বছরের তুলনায় এবার আবাদের খরচ অনেক বেশি পড়েছে। বিঘাপ্রতি খরচ পড়েছে ৮০ থেকে ১ লাখ টাকা। আর প্রতি বিঘায় রসুন উৎপাদন হচ্ছে ২০ থেকে ২৫ মণ। গত বছর বিঘাপ্রতি উৎপাদন হয়েছিল ৩০ থেকে ৩৫ মণ করে। কৃষক রমজান আলী বলেন, ‘এক বিঘা জমিতে বীজ, সার, শ্রমিক দিয়ে প্রায় ১ লাখ টাকা খরচ হয়েছে। বর্তমানে যে রসুন পাচ্ছি, তাতে লোকসানে পড়তে হবে। এবার ফলন কম রসুনের বর্তমান দাম কমে গেলে লোকসান হবে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এ বছর রাজবাড়ীতে ৩ হাজার ৫৮০ হেক্টর জমিতে রসুন আবাদ হয়েছে। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২৪ হাজার ৮১৮ টন।